মিঠামইনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরীকে বিদায় সংবর্ধনা
# মোক্তার হোসেন গোলাপ :-
কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরী’কে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার উপজেলার ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে উপজেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হোসেনপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আহমদ আলী চৌধুরী, ইউপিইও ডক্টর আব্দুর রহিম, মিঠামইন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি শাহরীল আলম তপন।
বক্তব্য রাখেন, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুরুল আমিন, খলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ প্রধান শিক্ষক সমিতি মিঠামইন উপজেলার সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান জহির ইয়ার চৌধুরী, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মিঠামইন শাখার সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার দাস, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নূরে আলম, প্রধান শিক্ষক শরাফ উদ্দিন, শিক্ষক গয়েস চন্দ্র দাস, অভিভাবক তাজুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক রৌশন আরা চৌধুরী আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, আমি চেষ্টা করেছি আমার দায়িত্ব সৎভাবে পালন করতে। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামের মানুষের ভালোবাসা আমি কখনো ভুলব না। আজকের এই সম্মান আমার জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। তোমরা সবাই ভালো মানুষ হবে, দেশ ও সমাজের জন্য কাজ করবে এটাই আমার প্রত্যাশা।
সাবেক শিক্ষার্থী নিয়াম আহমেদ অংকন বলেন, আমাদের শিক্ষক ছিলেন না, তিনি আমাদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। তিনি আমাদের শাসন করেছেন, ভালোবাসা দিয়েছেন এবং জীবনে ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তাই আমরা তাকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় দিতে চেয়েছি।
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী জান্নাত হোসেন ঈর্ষা বলেন, স্যারের কাছে আমরা শুধু পড়াশোনা নয়, শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা শিখেছি। স্যার আমাদের জীবনের একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে থাকবেন।
ফুলের মালা গলায় পুড়িয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও বিদায় জানান। পুরো আয়োজনটি এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, রৌশন আরা চৌধুরী ১৯৮৭ সালে মিস্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছিলেন।




