কিশোরগঞ্জের ১১টি বধ্যভূমিতে নির্মাণ হচ্ছে ১১টি স্মৃতিসৌধ
# মোস্তফা কামাল :-
সরকার কিশোরগঞ্জের ১১টি বধ্যভূমিতে ১১টি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিটি স্মৃতিসৌধ হবে একই ডিজাইনের। আর প্রত্যেক স্মৃতিসৌধের প্রস্তর ফলকে সেখানে শহীদ হওয়া প্রত্যেকের নাম খোদাই করে লেখা থাকবে। এর অংশ হিসেবে আজ ২১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার শোলমারা বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান। এসময় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বাহাদুর আলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. আসাদ উল্লাহ ও সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাগুফতা হক উপস্থিত ছিলেন।

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী বাহাদুর আলী এ প্রতিনিধিকে জানান, শোলমারা বধ্যভূমিতে জেলা পরিষদ নির্মিত একটি পুরনো স্মৃতিসৌধ রয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সহায়তায় সেটি অপসারণ করে গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে নতুন ডিজাইনের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা। জেলার প্রস্তাবিত ১১টি স্মৃতিসৌধ একই ডিজাইনের হবে। প্রত্যেকটির জন্যই বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮০ লাখ টাকা করে। আর প্রত্যেক স্মৃতিসৌধে সেখানকার শহীদদের নাম লেখা থাকবে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নামের তালিকা সংগ্রহ করা হবে। আপাতত শোলমারা এবং হোসেনপুরের কুড়িঘাট এলাকার বধ্যভূমিতে স্মৃতিসৌধের কাজ শুরু হচ্ছে বলে নির্বাহী প্রকৌশলী জানিয়েছেন। আপাতত ৫টি স্মৃতিসৌধের জন্য টেন্ডার হয়েছে। বাকিগুলোর এখনও স্থান নির্ধারণ সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী।



